নামাযে যেভাবে মনোযোগী হবেন।

আজকের পোস্টে আমরা এমন একটি বিষয়ে কথা বলব যা একজন মুসলিম ব্যাক্তি হিসেবে জানা আমাদের অপরিহার্য কর্ত্যব্য। একজন মুসলমান হিসেবে প্রত্যেরকের জন্য মহান রব্বুল আল-আমিন নামায ফরয করেছেন। কিন্ত দূর্ভাগ্যবশত আমরা বিভিন্ন কারনে এই নামায আদায় করতে পারিনা আবার পারলেও নামাযে মনোনিবেশ করতে পারিনা। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব কিভাবে আমরা নামাযে মনোযোগ দিতে পারি এবং নামায থেকে সত্যিকার আনন্দ লাভ করতে পারি।

১. মনে করুন এটা আপনার জিবনের শেষ নামাযঃআপনি যখন নামাযের জন্য প্রস্তুতি নিবেন তখন মাথায় রাখুন এটা আপনার জিবনের শেষ নামায এই মাযের পর আপনি আর কোন নামায আদায় করতে পারবেন না। এতে করে আপনার নামায অনেক সহিহ হবে এবং  কোন বাজে চিন্তা ও মাথায় আসবে না।

২. নামাযের জন্য সঠিক জায়গা নির্বাচনঃ আপনি যদি বাসায় নামায পড়ে থাকেন চেষ্টা করবেন একটি পবিত্র ও নিরিবিলি  জায়গায় নামায পড়ার এতে নামাযের প্রতি আকর্ষন বাড়বে

৩. সঠিক ভাবে ওযু করুনঃ অনেকেই তাড়াহুড়ো করে ওযু করেন এতে করে ওযু  পরিপূর্নতা লাভ করে না আর নামায আদায়ের পূর্বশর্ত পরিত্রতা অর্জন। এজন্য ওযু করার সময় অবশ্যই বেশি খেয়াল রাখতে হবে। আপনার পরিপূর্ন ওযু পারে নামাযের মাঝে স্নিগ্ধতা তৈরী করতে।

৪. নামাযের ভিতর কুচিন্তা এসে পরলে কি করবেনঃ অনেকেই বলেন নামাযের ভিতর কুচিন্তা/অশ্লীল চিন্তা এসে গেলে কি করব এ জন্য আমার পরামর্শ থাকবে নামায শেষে আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া এবং আল্লাহর কাছে মিনতি করা আর একটি কাজ করা যেতে পারে যখন কুচিন্তা আসবে তখন ডান হাত দিয়ে বাম হাত শক্ত করে চেপে ধরা এতে আপনার মনোযোগ ঠিক রাখতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।

৫. নামাযে অবহেলা নয়ঃ আমরা প্রায় সঠিক সময়ে নামায আদায় করতে পারি না বা সঠিক সময় নির্বাচন করতে পারিনা যা আমাদের অবহেলার প্রদর্শন মাত্র। এটা সম্পূর্ন একটি গর্হিত কাজ। যারা নিয়মিত নামায আদায় করেন তাদেরকে নামযের সময় নির্বাচনে আরো সচেতন হতে হবে।

৬. মসজিদে গিয়ে নামায আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুনঃ সমস্যা না থাকলে চেষ্টা করুন মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করার। কেননা মসজিদে নামায আদায়ের ব্যাপারে মহানবী (সাঃ) বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *